
প্রত্যেক মুসলিমের মৌলিক দায়িত্ব ও কর্তব্য: ইসলামের আলোকে
ইসলাম শুধু কয়েকটি রীতিনীতি বা ইবাদতের নাম নয়; এটি একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা। আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক, ইবাদত, পরিবার, সমাজ, চরিত্র ও আত্মশুদ্ধি থেকে শুরু করে জীবনের

ইসলাম শুধু কয়েকটি রীতিনীতি বা ইবাদতের নাম নয়; এটি একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা। আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক, ইবাদত, পরিবার, সমাজ, চরিত্র ও আত্মশুদ্ধি থেকে শুরু করে জীবনের

মৃত্যু এমন একটি সত্য, যা কেউ এড়াতে পারে না। আজ না হোক কাল, আমাদের প্রত্যেককেই এই পথে যেতে হবে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, আমরা কি সেই

কুরবানি শুধু একটি পশু জবাই নয়। এটি আল্লাহর প্রতি আনুগত্যের সবচেয়ে সরাসরি প্রকাশ। হযরত ইব্রাহিম (আঃ) তাঁর সবচেয়ে প্রিয় সন্তান ইসমাইল (আঃ)-কে আল্লাহর নির্দেশে কুরবানি

বছরের সবচেয়ে ফজিলতপূর্ণ দিনগুলো কোনটি? জানেন কি? রমজানের শেষ দশ রাত নয়, বরং যিলহজের প্রথম দশ দিন! এই দিনগুলোতে যেকোনো নেক আমল আল্লাহর কাছে সবচেয়ে

মাসের শেষে এসে হিসাব মেলে না। ব্যবসায় লোকসান হচ্ছে। চাকরিতে বছরের পর বছর পার হলেও উন্নতি নেই। ঘরে বসে ভাবছেন, কী করলে পরিস্থিতি বদলাবে? আমরা

রমজান পরবর্তী আমল আমাদের জীবনের একটি ধারাবাহিক ইবাদতের অংশ, যা শুধুমাত্র একটি মাসে সীমাবদ্ধ নয়। রমজান ছিল আত্মশুদ্ধি, তাকওয়া অর্জন এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের একটি

একবিংশ শতাব্দীর এই যান্ত্রিক ও দ্রুতধাবমান আধুনিক জীবনে মানুষ যখন কেবল বস্তুগত সাফল্য, ভোগ ও বিলাসিতার পেছনে ছুটছে, তখন পবিত্র মাহে রমজান আমাদের সামনে এনে

দোয়া হলো ইবাদতের মূল এবং মহান আল্লাহর সাথে বান্দার সরাসরি যোগাযোগের শ্রেষ্ঠ মাধ্যম। প্রতিটি মুমিন ব্যক্তিই তার জীবনের সংকটময় মুহূর্তে বা বিশেষ প্রয়োজনে মহান আল্লাহর

আল্লাহর পথে আহ্বান (দাওয়াহ) বলতে বোঝায় মানুষকে তাওহীদের দিকে আহ্বান করা। অর্থাৎ একমাত্র আল্লাহকে রব হিসেবে চেনা, তাঁর ইবাদতে নিজেকে নিয়োজিত করা এবং কুরআন ও
গিবত কী? গীবত শব্দটির আভিধানিক অর্থ দোষারোপ করা, কুৎসা রটনা, পেছনে সমালোচনা করা, পরচর্চা করা, পরনিন্দা করা, কারো অনুপস্থিতিতে তার দোষগুলো অন্যেও সামনে তুলে